একটি উদ্যোগ

দুর্ঘটনার পর জোহারের দায়িত্ব নেয় ক্যাম্পে কর্মরত শমরীতান পার্স নামের একটি বিদেশি এনজিও

  • প্রকাশ: ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮

অভিযোগকারী : durniti

প্রাণ বাঁচাতে প্রায় এক বছর আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে রোহিঙ্গা পরিবারটি। আশ্রয় মেলে কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালীর ঠ্যাংখালী ক্যাম্পে। পরিবারের আট সন্তানের মধ্যে সপ্তম নূরুল জোহার। বয়স মোটে পাঁচ বছর। সাত মাস আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় শিশুটি। তারপর থেকেই সন্তানকে বাঁচাতে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরছে পরিবারটি। শুরু হয়েছে অন্য রকম কষ্ট।

আহত হওয়ার পর ফুটফুটে নূরুল জোহারকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজারে মেমোরিয়াল ক্রিশ্চিয়ান হাসপাতালে। উন্নত চিকিৎসার জন্য এরপর নেওয়া হয় অন্য হাসপাতালে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় তার চিকিৎসা চলছে। সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুটির যকৃৎ থেকে পিত্তনালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

দুর্ঘটনার পর জোহারের দায়িত্ব নেয় ক্যাম্পে কর্মরত শমরীতান পার্স নামের একটি বিদেশি এনজিও। এ এনজিওর মাধ্যমে তাকে কক্সবাজারের মেমোরিয়াল ক্রিশ্চিয়ান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরই মধ্যে শিশুটির ছোট্ট শরীরে করতে হয়েছে তিনটি জটিল অস্ত্রোপচার।

সংযুক্ত প্রমাণ

অভিযোগকারী কোন প্রমাণ জমা দেন নি

  • বিভাগ : শিক্ষা

  • অবস্থান :

Your email address will not be published. Required fields are marked *